EC
Engineering Classroom
by Himalay Sen

Exams

Prepare for your next test with our collection of exam-based practice sets and question banks designed for effective assessment and revision.

Courses

Discover our wide range of online courses designed to help you learn new skills, master complex topics, and achieve your academic or career goals.

সালের প্রশ্ন

Access past board exam questions organized by year and subject to help you understand patterns, improve preparation, and boost your exam performance.

MCQ
17921. 'একদিন মরতেই হবে, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে।' উক্তিটি কার?
অনুপম
মিন্টু
মাসি-পিসি
শেখ মুজিবুর রহমান
17922. . 'আগুন পাখি'-উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
রাহাত খান
হাসান আজিজুল হক
সেলিনা হোসেন
ইমদাদুল হক মিলন
ব্যাখ্যা: সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সদ্য প্রয়াত হাসান আজিজুল হক (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯-১৫ নভেম্বর ২০২১)। তার রচিত প্রথম উপন্যাস 'শামুক'। তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : বৃত্তায়ণ (১৯৯১), শিউলি (২০০৬) ও আগুন পাখি (২০০৬)। হাসান আজিজুল হকের পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে 'আগুন পাখি' উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। মানুষের সংগ্রামী জীবন এবং বিভেদকামী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ উপন্যাসের পরতে পরতে বিশ্লেষিত হয়েছে।
17923. 'কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না'-উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি'
শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী'
শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি'
বঙ্কিমচন্দ্রের "রাজসিংহ
ব্যাখ্যা: উক্তিটির সঠিক রূপ 'কিন্তু মনুষ্য কখন পাষাণও হয় না। 'বাংলা কথাসাহিত্যের উপন্যাস শাখায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবাদর্শের সেতু বন্ধন করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তার রচিত 'রাজসিংহ' উপন্যাসের সপ্তম খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নয়নবহ্নিও বুঝি জ্বলিয়াছিল-এর শেষ বাক্য এটি। রাজসিংহ (১৮৮২) ও আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কাহিনিতে তিনি হিন্দুর বাহুবল ও বীরত্বের কথা রূপায়ণ করেছেন।
17924. 'বায়ান্নর দিনগুলো'য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌঁছেছিলেন?
তিনদিন
চারদিন
পাঁচদিন
ছয়দিন
17925. ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়টি চিঠি লিখেছিলেন?
চারটি
তিনটি
দুইটি
পাঁচটি
17926. 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।' বাক্যটি যে রচনার অন্তর্গত- (
বায়ান্নর দিনগুলো
আহব্বান
রেইনকোট
মাসি-পিসি
17927. ভাষা সৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর শেখ মুজিবুর রহমান কীভাবে পেয়েছিলেন?
রেডিও শুনে
প্রহরীদের সহায়তায়
সিপাহিদের মাধ্যমে
বন্দিদের কাছ থেকে
17928. 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
১৯২৩ সন
১৯২১ সন
১৯১৯ সন
১৯১৮ সন
ব্যাখ্যা: [Note: ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে কবি নজরুল 'বিদ্রোহী' কবিতাটি লেখেন। আর তা ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক 'বিজলী' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ কবিতাটি তার প্রথম প্রকাশিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা। 'অগ্নিবীণা' কাব্যে মোট বারটি কবিতা স্থান পেয়েছে। এ কাব্যের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), রক্তাম্বরধারিনী মা, ধূমকেতু, খেয়াপারের তরণী, কামালপাশা।।
17929. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' তে কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী কে ছিলেন?
আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
খান সাহেব ওসমান আলী
মওলানা ভাসানী
মহিউদ্দিন আহমদ
17930. ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
অক্ষয়কুমার দত্ত
এন্টনি ফিরঙ্গি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কালীপ্রসন্নসিংহ ঠাকুর
ব্যাখ্যা: হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক ডিরোজিওর (১৮০৯-১৮৩১) শিষ্যরাই মূলত ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত। ইয়ংবেঙ্গল হিসেবে যে নামগুলো পাওয়া যায় তা হলো যথাক্রমে দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, রামতনু লাহিড়ী, প্যারীচাঁদ মিত্র, রাধানাথ শিকদার, রামগোপাল ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, শিবচন্দ্র দেব, তারাচাঁদ চক্রবর্তী, কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, মহেশচন্দ্র ঘোষ, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, গঙ্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মাধবচন্দ্র মল্লিক, গোবিন্দ্রচন্দ্র বসাক, অমৃতলাল মিত্র প্রমুখ । আর মধুসূদন দত্ত ছিলেন ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত একজন। ১৮৪০ সালে সাধারণ জ্ঞানোপার্জিকা সভার সভ্য তালিকায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের সহপাঠী প্যারীচাঁদ মিত্র, কিশোরীচাঁদ ঠাকুর, প্যারীচরণ সরকার, গোবিন্দ দত্ত, জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের নাম পাওয়া যায়। মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করায় তিনি পরবর্তীতে হিন্দু কলেজ ত্যাগ করেন এবং মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামে পরিচিতি লাভ করেন। [তথ্যসূত্র: আশার ছলনে ভুলি, গোলাম মুরশিদ ৩০ পৃষ্ঠা।।
17931. আমরা অনশন ভাঙব না' কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত হয়েছে?
বায়ান্নর দিনগুলো
চাষার দুক্ষু
একুশে ফেব্রুয়ারি
আমার পথ
17932. 'মুক্তি দিলে খাবো, না দিলে খাবো না। তবে আমার লাশ মুক্তি পেয়ে যাবে।' এখানে কাদের মুক্তির কথা বলা হয়েছে?
রাজবন্দিদের মুক্তি
বাঙালিদের মুক্তি
শোষিতের মুক্তি
পাকিস্তানিদের মুক্তি
17933. মানুষ স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়।'যে রচনার উদ্ধৃ
রেইনকোট
নেকলেস
বায়ান্নর দিনগুলো
অপরিচিতা
17934. 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি' চরণ দুটির রচয়িতা কে?
চণ্ডীচরণ মুনশী
কাজী নজরুল ইসলাম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যা: 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,/সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।' চরণ দুটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত 'আমার পণ' কবিতার অন্তর্ভুক্ত। ছাত্রাবস্থায় তিনি 'রসতরঙ্গিনী' ও 'বাসবদত্তা' কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্ম 'শিশুশিক্ষা' নামক শিশুতোষ গ্রন্থ। এ গ্রন্থের প্রথম ভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল।'
17935. দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
প্যারীচাঁদ মিত্র
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
প্রমথ চৌধুরী
ঘদ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। নাটকটি বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত A Native ছদ্মনামে 'নীলদর্পণ' নাটকটি NIL DURPAN or THE INDIGO PLANTING MIRROR (১৮৬১) নামে অনুবাদ করেন। দীনবন্ধু মিত্রের আরো কয়েকটি নাটক-নবীন তপস্বিনী, লীলাবতী, জামাই বারিক, কমলে কামিনী। মাইকেল মধুসূদনের উল্লেখযোগ্য নাটক-শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী ।
17936. 'বায়ান্নর দিনগুলো' অনুসারে জেলখানায় অনশনকারীর সংখ্যা কতজন?
দুইজন
তিনজন
চারজন
পাঁচজন
17937. ১৯৫২ সালের কত তারিখে বঙ্গবন্ধু কারাবাস থেকে মুক্তি পান?
২২ ফেব্রুয়ারি
২৬ ফেব্রুয়ারি
২৪ ফেব্রুয়ারি
২৮ ফেব্রুয়ারি
17938. জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর অনশন ভাঙালেন কে?
একজন কর্মচারী
রাজনৈতিক সহকর্মী
সিভিল সার্জন
ডেপুটি জেলার
17939. 'জীবনস্মৃতি' কার রচনা?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘরোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ 'জীবনস্মৃতি' (১৯১২)। তার রচিত আরো কয়েকটি প্রবন্ধগ্রন্থ কালান্তর, সভ্যতার সংকট, পঞ্চভূত, মানুষের ধর্ম, বিচিত্র প্রবন্ধ, শব্দতত্ত্ব। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম 'আত্মচরিত'। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক রচনা 'তৃণাঙ্কুর'। মুসলিম নারীমুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উল্লেখযোগ্য রচনা 'মতিচুর' ও 'অবরোধবাসিনী'।
17940. জসীমউদ্দীনের রচনা কোনটি?
যাদের দেখেছি
পথে প্রবাসে
কাল নিরবধি
ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যা: পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ 'যাঁদের দেখেছি'। তার এরূপ আরো একটি গ্রন্থ 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়'। তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'জীবন কথা'। জসীমউদ্দীন রচিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ রাখালী, বালুচর, মাটির কান্না, ধানখেত। তার বিখ্যাত গাথাকাব্য-নকসী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট। তার একমাত্র উপন্যাস বোবা কাহিনী। পথে-প্রবাসে (ভ্রমণকাহিনি), কাল নিরবধি (আত্মজীবনী) ও ভবিষ্যতের বাঙালি (প্রবন্ধ) গ্রন্থের রচয়িতা যথাক্রমে অন্নদাশঙ্কর রায়, আনিসুজ্জামান ও এস ওয়াজেদ আলি।