Bangla MCQ
281. "তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাণক"- এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
282. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
গাইবান্ধায়
বগুড়ায়
ঢাকায়
সিরাজগঞ্জে
283. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন?
১০ বছর
১২ বছর
১৪ বছর
১৬ বছর
284. নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
ইছামতি
মৌরিফুল
মেঘমল্লার
যাত্রাবদল
285. কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
কার্তিক, ফাল্গুন
চৈত্র-বৈশাখ
ভাদ্র- অশ্রহায়ণ
শ্রাবণ, আশ্বিন
286. 'শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
চতুরঙ্গ
নৌকাডুবি
চার অধ্যায়
ঘরে বাইরে
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা 'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এটি সাধুভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস। উপন্যাসটির চারটি অঙ্গ- জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাস। শ্রীবিলাস (বর্ণনাকারী) নামে এক যুবকের যাত্রা, তার সর্বোত্তম বন্ধু দার্শনিক ও পথপ্রদর্শক শচীশের সাথে সাক্ষাৎ, বিধবা দামিনী এবং আদর্শবান ব্যক্তি জ্যাঠামশাইয়ের গল্প নিয়ে উপন্যাসটি লিখিত। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথের অন্য তিনাট উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র: চার অধ্যায়- অতীন, এলা ইন্দ্রনাথ; নৌকাডুবি- রমেশ, হেমনালিনী, কমলা, নাল- নাক্ষ; ঘরে বাইরে- নিখিলেশ, বিমলা, সন্দীপ। উল্লেখ্য, রবী ঠাকুরের 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসটিতে প্রশ্নে উল্লিখিত 'শচীন' চরিত্রটির সঠিক নাম হবে 'শচীশ'
287. 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
জসীমউদ্দীনকে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
288. মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্থের উপজীব্য হিন্দু- মুসলমানের বিরোধ?
গো-জীবন
এর উপায় কি
ইসলামের জয়
বসন্তকুমারী নাটক
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা মীর মশাররফ হোসেনের হিন্দু-মুসলমানের বিরোধকে উপজীব্য করে লেখা একটি প্রবন্ধ পুস্তিকা হলো 'গো-জীবন' (১৮৮৯)। প্রবন্ধটির মূলকথা হলো- কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে যে-কোনো কারণেই হোক গো- হত্যা অনুচিত। হিন্দু ও মুসলমান এই দুই ধর্মাবলম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করার মানসেই তিনি এটি রচনা করেন। অন্যদিকে, তার 'বসন্তকুমারী' (১৮৭৩) নাটকটি বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত প্রথম নাটক যেখানে মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'কৃষ্ণকুমারী নাটক'-এর প্রভাব আছে। 'এর উপায় কি' (১৮৭৫) তার প্রথম প্রহসন।
289. প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা কে?
রাজা রামমোহন রায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
290. 'বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
বিনয় ঘোষ
সুবিনয় ঘোষ
বিনয় ভট্টাচার্য
বিনয় বর্মণ
291. কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাহিনীকাব্য?
রসুল বিজয়
মক্কা বিজয়
রসুল চরিত
মক্কা চরিত
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা :জৈনুদ্দিন মধ্যযুগীয় (১৫শ শতক) বাংলা সাহিত্যের কবি। কবির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গৌড়ের যুবরাজ ইয়প খান (ইউসুফ খান), যিনি পরে শামসুদ্দিন ইউসুফ পার (১৪৭৪-৮২ খ্রি.) নামে গৌড়ের সুলতান হন। রসুল বিজয়' জৈনুদ্দিনের একটি কাহিনীকাব্য। এতে হযরত মুহাম্মদ স. ও ইরাকাধিপতি জয়কুমের মধ্যকার দীর্ঘযুদ্ধের বর্ণনা আছে। যুদ্ধে ইসলামের বিজয় দেখানো হয়েছে। কাব্যের উৎস ফারসি সাহিত্য হলেও কবি কোন কাবা অনুসরণ করেছেন তা জানা যায় না। একই সময়ে সুলতান বারবক শাহের রাজত্বকালে (১৪৫৯-৭৪ খ্রি.) মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন।
292. পথ' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
যুগ-বাণী
দুর্দিনের যাত্রী
রাদ্র-মঙ্গল
রাজবন্দির জবানবন্দি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা 'রুদ্র-মঙ্গল' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। এ গ্রন্থে ৮টি প্রবন্ধ ছিল তার মধ্যে 'আমার পথ' অন্যতম। এ প্রবন্ধে সত্যকে লেখক নিজের পথ বলেছেন। তিনি নিজেই নিজেকে তার কর্ণধার বলেছেন। অন্যদিকে, 'যুগবাণী' (১৯২২) নজরুলের প্রথম প্রবন্ধের বই। 'দুর্দিনের যাত্রী' (১৯২৬) প্রবন্ধে নজরুলের প্রবল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' (১৯২৩) প্রবন্ধে নজরুল সত্য, শিব, সুন্দরের বাণীর সূত্রপাত করেছেন যা তার পরবর্তী রচনায় পাওয়া গেছে।
293. কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়?
ব্রজবুলি
বাংলা
সংস্কৃত
হিন্দি
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন ব্রজবুলি ভাষায়। ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০ খ্রি.) এর উদ্ভাবক। তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন। বাংলা ছাড়া আসাম ও উড়িষ্যাতেও ব্রজবুলির বেশ চর্চা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি পদ রচনা করেন যশোরাজ খান। তিনি সম্ভবত গৌড়ের শাসক হুসেন শাহের রাজত্বকালের কবি ছিলেন। সুকুমার সেন তার 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' (১ম খণ্ড) গ্রন্থের ২০৮নং পৃষ্ঠায় জানিয়েছেন যে, যশোরাজ খান শ্রীখণ্ড নিবাসী বৈদ্যজাতীয় ব্যক্তি ছিলেন।
294. 'আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস।'- এখানে 'ওর' বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?
শেখ নাসেরকে
শেখ হাসিনাকে
শেখ কামালকে
শেখ রেহেনাকে
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা প্রশ্নোক্ত উক্তিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'বায়ান্নর দিনগুলো' থেকে নেওয়া হয়েছে। 'বায়ান্নর দিনগুলো' তার 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' (২০১২) গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। ১৯৬৬-৬৯ সালে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই আত্মজীবনী শুরু করেন যেখানে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে 'ওর' বলতে বঙ্গবন্ধু তার জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালকে বুঝিয়েছেন।
295. 'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
সৈয়দ শামসুল হক
শামসুর রাহমান
হাসান হাফিজুর রহমান
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা 'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' শামসুর রাহমান রচিত আহসান হাবীব কাব্যগ্রন্থ। ১৯৮৮ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। শহীদ নূর হোসেন এ কাব্যের অন্যতম উপজীব্য। কবির অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২), 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০)।
296. নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
সাবিরিদ খাঁ
সৈয়দ সুলতান
সৈয়দ নূরুদ্দীন
297. প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের সরেত সুলাল' প্রবম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে?
১৮৫৮ সালে
১৯৭৯ সালে
১৮৪৮ সালে
১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকর্তাদ ঠাকুরের (১৮১৪- ১৮৮৩) 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রথমে তার প্রতিষ্ঠিত মাসিক পত্রিকায় (১৮৫৪) ধারাবাহিকভাবে এবং গ্রন্থাকারে ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। কলকাতার সমকালীন সমাজ এর প্রধান বিষয়বস্তু, যেখানে উচ্চবিত্ত ঘরের আদুরে সন্তান মতিলালের উচ্ছৃঙ্খল জীবনাচার এতে বর্ণিত হয়েছে। 'ঠকচাচা' এর অন্যতম প্রধান চরিত্র। প্যারীচীন প্রথমবারের মতো এতে যে কথ্য চলিত ভাষা ব্যবহার করেছেন, পরবর্তীকালে তা 'আলালী ভাষা' নামে পরিচিতি লাভ করে।
298. 'দুর্দিনের দিনলিপি' স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
আবুল ফজল
জাহানারা ইমাম
আবদুল কাদির
মুশতারি শফী
299. মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রকৃতপক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপায়ণ?
স্বরবৃত্ত ছন্দ
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
গৈরিশ ছন্দ
ব্যাখ্যা: ব্যাখ্যা অমিত্রাক্ষর ছন্দ পয়ার ছন্দভিত্তিক, এতে পড়ক্তির শেষে মিল নেই। এই ছন্দে এক পড়ক্তিতে বক্তব্য শেষ না হয়ে অন্য পঙক্তিতে গড়িয়ে যায়। এই বৈশিষ্ট্যকে প্রবহমানতা বলে। বড় ধরনের ভাব প্রকাশে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বিশেষ সহায়ক। বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই ছন্দের প্রবর্তক এবং তিনি 'পদ্মাবতী' (১৮৬০) নাটকের ২য় অঙ্কের ২য় গর্ভান্তে এ ছন্দের প্রথম প্রয়োগ ঘটান। মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' মূলত অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নব-রূপায়ণ, যা পয়ার ও অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই আধুনিক রূপ।
300. 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থের রচয়িতা-
মুহম্মদ আবদুল হাই
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
মুনীর চৌধুরী
মুহম্মদ এনামুল হক