MCQ
21. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়-
২২ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
২২ শে মার্চ ১৯৬৮
২০ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৭০
২২ শে ডিসেম্বর ১৯৭০
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়। সাথে সাথে শেখ মুজিবুর রাহমানসহ সকল কারাবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। পরের দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ তারিখে ঢাকায় রেসর্কোস ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসংবর্ধনা দেয়া হয়। একই দিনে শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এ উপাধিতে ভূষিত করেন তৎকালিন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
22. কোন ইউরোপিয়ান দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় --
ভারত
জার্মানি
রাশিয়া
নেপাল
ব্যাখ্যা: তথ্য: এশিয়ার বাহিরে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ বা প্রথম পশ্চিমা দেম হিসেবে পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি। একই দিন স্বীকৃতি দেয় গ্রেট ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, আইসল্যান্ড।
23. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়?
১৯৯৯
১৯৯৮
২০০০
২০০১
ব্যাখ্যা: তথ্য: মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় ২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামে এ মন্ত্রণালয়টি গঠিত করেন।
24. বাংলাদেশের সংবিধান কখন থেকে কার্যকর হয়?
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
২৬ মার্চ ১৯৭৩
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা: তথ্য: বাংলাদেশর খসড়া সংবিধান ১২ অক্টোবর ১৯৭২ গণ-পরিষদের উদ্ধাপন করা হয়। ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।
25. ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন?
৬ দফা
১১ দফা
৪ দফা
৭ দফা
ব্যাখ্যা: তথ্য: ৭ই আর্চের ভাষণে ৪ দফা দাবি ভাষণে উপস্থাপন করা হয়।
দাবি ৪ টি হলো:
১. সাময়িক আইন প্রত্যাহার করতে হবে
২. সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩. এই গণহত্যার তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
26. অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিল?
এ.কে ফজলুল হক
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খাজা নাজিমুদ্দিন
আবুল হাসেম
ব্যাখ্যা: তথ্য: অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
27. বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ কোনটি?
ভারত
মায়ানমার
ভুটান
রাশিয়া
ব্যাখ্যা: তথ্য: ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি বেতার বার্তা পাঠিয়ে ভুটানই প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষলগ্নে ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (মতান্তরে ৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২। প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই, ১৯৭২।
28. বাংলা সন প্রবর্তন করেন-
সম্রাট আকবর
সম্রাট জাহাঙ্গীর
সম্রাট বাবর
শের শাহ
ব্যাখ্যা: তথ্য: ইতিহাস অনুসারে বাংলা সনের প্রবর্তনের সময় ধরা হয় ১৫৫৬ সাল থেকে, প্রবক্তা ছিলেন মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবর। প্রকৃতপক্ষে বাদশাহ আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য তাঁর সভাসদ জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লাহ শিরাজীর সহযোগিতায় ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ থেকে তারিখ এ এলাহি নামে নতুন এ বছর গণনা পদ্ধতি চালু করেন।
29. ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
খুলনা
বাগেরহাট
যশোর
রাজশাহী
ব্যাখ্যা: তথ্য: ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির গাঁয়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটিকে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময় নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে যায়। এটি যে খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন
30. Stop Genocide (স্টপ জেনোসাইড) চলচিত্রটি নির্মাণ করেন-
চাষী নজরুল ইসলাম
খান আতাউর রহমান
জহির রায়হান
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা: তথ্য: শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য বিশ্বব্যাপী জনমত তৈরি করার ক্ষেত্রে 'স্টপ জেনোসাইড' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলো।
31. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশা কে তৈরি করেন?
মোস্তফা কামাল
রফিকুন্নবী
জয়নুল আবেদিন
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা: তথ্য: মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ণ দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের (তৎকালীন ইকবাল হল) ১১৮ নম্বর কক্ষে বসে প্রথম জাতীয় পতাকা ডিজাইন করেন। পরবর্তীতে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১ ১৯৮৮ খ্রি.)
32. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
৩৫ জন
৫৪ জন
৮৪ জন
২৪ জন
ব্যাখ্যা: তথ্য: শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ২৭ জন সামরিক এবং ৮ জন বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা। প্রহসনমূলক এ মামলার বিরুদ্ধে ওই সময় গড়ে ওঠে তুমুল গণআন্দোলন। এই মামলাটির পূর্ণ নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য মামলা। তবে এটি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হিসাবেই বেশি পরিচিত, কারণ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল যে, বারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় কথিত ষড়যন্ত্রটি শুরু হয়েছিল।